ঢাকা শুক্রবার, নভেম্বর ২৪, ২০১৭


বিটলস এত জনপ্রিয় কেন?

পপ রক ব্যান্ড `দ্য বিটলস’ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৬০ সালে। দশ বছর পরেই ভেঙ্গে যায় ব্যান্ডটি। তবে বিটলসের জনপ্রিয়তা রয়ে গেছে এই প্রজন্মেও। এমন কি প্রায় সব শ্রেণির মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা দেখা যায় তাদের। যুগে যুগে জনপ্রিয় হয়ে থাকা এই ব্যান্ড এখন পর্যন্ত হায়েস্ট সার্টিফাইড মিউজিক আর্টিস্টের অবস্থান ধরে রেখেছে।

যুক্তরাজ্যের ব্যান্ড হয়ে দ্য বিটলস যুক্তরাষ্টের অ্যালবাম সার্টিফিকেশন তালিকায় সর্ব প্রথমে অবস্থান করছে ১৭৮ মিলিয়ন স্কোর নিয়ে। ব্যান্ডটির এত জনপ্রিয়তার মূলে রয়েছে অনেক কারণ। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক প্রধান কিছু কারণ।

১। ট্রেন্ড ক্রিয়েটরঃ
মূলত ১৯৪০ সালের দিকে রক মিউজিকের ট্রেন্ড চালু হয়। তখন ব্লুজ, রিদমের চল বেশি দেখা যায়। ১৯৬০ সালের পর দ্য বিটলস মিউজিক নতুন ট্রেন্ড চালু করে। নতুন ঘরানা- ‘পপ রক’। একদমই অন্যরকম সাউন্ডের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কারণে বিটলসকে মানুষ মনে রাখবে শত শত বছর।

২। অল্প বয়সে অনেক বড় কিছু করে দেখানোঃ
স্কুল পড়ুয়া জন লেনন (১৬) ও পল ম্যাকার্টনি (১৫) ১৯৫৭ সাল থেকে এক সঙ্গে জ্যাজ দলে মিউজিক করেন। সে বছরেই তাদের সঙ্গে যুক্ত হন ১৪ বছর বয়সী জর্জ হ্যারিসন। পরবর্তিতে টিন এজার রিঙ্গো স্টারকে নিয়ে তারা ব্যান্ড গঠন করে। এত অল্প বয়সে নতুন ঘরানা সৃষ্টি এখনো সংগীত জগতের বিস্ময়।

৩। নিজস্ব স্টাইলঃ
দ্য বিটলসের প্রত্যেক সদস্যের গেটআপ ও স্টাইল ছিল একই রকম। এটি ছিল তাদের ব্যক্তিগত শৈলী। গানের নতুন ট্রেন্ডের সঙ্গে দ্য বিটলস প্রতিষ্ঠিত করেছে ভিন্ন ফ্যাশন। দু’য়ে মিলে জনপ্রিয়তাও বেড়েছে দ্বিগুণ গতিতে।

৪। গানের মধ্যে রয়েছে লুকায়িত শক্তিশালী বার্তাঃ
পপ গান কেমন হতে হবে সেই নির্দেশনা পাওয়া যায় দ্য বিটলসের গানে। তাদের প্রত্যেক গানে বিনোদনের পাশাপাশি লুকায়িত আছে শক্তিশালী ও প্রয়োজনীয় বার্তা।

৫। তারা চির ক্লাসিকঃ
মিউজিকাল জনার, লিরিক্স ও স্টাইল সব কিছুতেই দ্য বিটলস চির ক্লাসিক। ক্লাসিক হওয়ার বড় সুবিধা থাকে দু’ভাবে। প্রথমত, প্রায় সব স্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকে। দ্বিতীয়ত, তা কখনোই হারিয়ে যায় না। মানুষ যুগ যুগ ধরে মনে রাখে।

৬। ‘দ্য বিটলস’ নামটাই  যথেষ্টঃ
জন লেনন নিজেদেরকে ঝিঁঝিঁ পোকা ভাবতেন। অন্যান্য সদস্যরাও লেননের সঙ্গে সহমত হয়ে নিজের বিটলস (পোকা) হিসেবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করতেন। সেই চিন্তাধারা থেকে এমন মজার নামকরণ। ‘দ্য বিটলস’।

আরো খবর পড়ুন

Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Print this page