ঢাকা বৃহস্পতিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০১৮


রিফ্লেকশন অন বাংলাদেশ ইকোনমি শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রিফ্লেকশন অন বাংলাদেশ ইকোনমি শীর্ষক পাবলিক লেকচার সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ক্লাবের সহযোগিতায় অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ এই লেকচার সিরিজের আয়োজন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় পর্বের এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. এম. জি কিবরিয়া।

 যুক্তরাষ্ট্রের মরগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. এম. জি কিবরিয়া বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতি বিষয়ক তথ্যবহুল বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে অর্থনীতির ভবিষৎ জনমিতির পরিবর্তন, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রকৃতি, মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারের ক্রমবর্ধমান পরিবর্তন, উৎপাদন শিল্পে স্বয়ংক্রিয়তার ওপর জোর দেন। এছাড়া ড. কিবরিয়া শিল্পায়ন ব্যাহত করার পরিনতি, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং বর্ধিত আর্ন্তজাতিক বাণিজ্যিক অবস্থা সম্পর্কেও বিশদ ধারণা দেন।

 ড কিবরিয়া বলেন, শিল্পখাতে অধিক মাত্রায় যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতা মানব সভ্যতার জন্য খারাপ ফল বয়ে আনবে। মানুষ যেভাবে যন্ত্রনির্ভর হয়ে পড়ছে তাতে ভবিষ্যতে আরো মানুষ বেকার হয়ে যাবে।

 মরগান স্টেট ইউনিভার্সিটি ছাড়াও ড. এম. জি কিবরিয়া এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। এর আগে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ইন্সটিটিউটে (এডিবিআই) জেষ্ঠ্য উপদেষ্টা ছিলেন তিনি। এছাড়া বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, আইএলও ছাড়াও আরো কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজ করেছেন এই অর্থনীতিবিদ।

 ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর সাদ সৈয়দ আন্দালিব, উপ উপাচার্য ড. আনসার আহমেদ, অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর এটিএম নুরুল আমিন লেকচার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সিরিজ লেকচারের দ্বিতীয় খন্ড শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ড. কিবরিয়ার এই লেকচার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতিফলন হিসেবে ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আমন্ত্রিত অতিথিরা।

 গত বছরের ডিসেম্বরে ‘হোয়াই ইকোনমিক্স শীর্ষক পাবলিক লেকচার সিরিজের প্রথম পর্বে বক্তব্য দেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। তিনি তার বক্তব্যে ঋণ খেলাপীর প্রবণতা বন্ধে আইনের শক্তিশালী প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন। এছাড়াও ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার কথাও বলেন ড. ওয়াহিদ উদ্দীন মাহমুদ।

আরো খবর পড়ুন

Share on Facebook30Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Print this page