ঢাকা রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০১৮


ব্র্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে থিসিস প্রজেক্ট প্রদর্শনী

ব্র্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের আয়োজনে আজ রবিবার (২৮ জানুয়ারী ২০১৮) শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী থিসিস প্রজেক্ট প্রদর্শনী। বিভাগটির মাস্টার্স বর্ষের শিক্ষার্থীদের করা ডিজাইন কোর্সের অংশ হিসেবে সম্পন্ন করা দশটি প্রজেক্ট নিয়ে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে ১ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। প্রথমদিনই প্রদর্শনীটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

 রোববার সকালে স্থাপত্য বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. আনসার আহমেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আদনান মোর্শেদ ও তড়িৎ ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের প্রধান ড. শহীদুল ইসলাম। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে থিসিস প্রজেক্ট প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপার্সন স্যার ফজলে হাসান আবেদ কেসি এম জি ।বেশ কিছু সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের কাজের প্রশংসা করেন স্যার আবেদ।

স্থাপত্য বিভাগের চূড়ান্ত বর্ষে ডিজাইন কোর্সের আবশ্যিক শর্ত পূরণের অংশ হিসেবে করা বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ব্র্যাক শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণমূলক ভাবনা ও পরিকল্পনা ফুটে ওঠে ৩৩টি থিসিস প্রজেক্টে। সেরা দশটি প্রজেক্ট প্রদর্শনীর জন্য উন্মুক্ত করেছে স্থাপত্য বিভাগ। ভাষা চর্চা কেন্দ্র, হিজড়া জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও শিক্ষা কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ আর্ট ইন্সটিটিউট’সহ আরো বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট রয়েছে প্রদর্শনীতে।

থিসিস প্রজেক্ট প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভাগের সভাপতি ড. আদনান মোর্শেদ বলেন, ‘সেরা কয়েকটি প্রজেক্ট নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমিতেও এই প্রজেক্টগুলো প্রদর্শিত হবে। শিক্ষার্থীদের ধারণাগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই আমরা। আশা করছি, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে এই প্রজেক্টগুলো দারুণ ভূমিকা রাখবে।’

এই প্রদর্শনীকে অভূতপূর্ব উল্লেখ করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. আনসার আহমেদ বলেন, ‘এই প্রজেক্টগুলো আমাদের সমাজের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অনেক সামাজিক সমস্যার সমাধান হতে পারে। শিক্ষার্থীদের এই ধারণাগুলো বৃহত্তর পর্যায়ে নিয়ে গেলে সার্বিকভাবে আমাদের সমাজ উপকৃত হবে।’

 

আরো খবর পড়ুন

Share on Facebook379Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Print this page